আইনজীবীদের সি জে এম-এর আদালত বয়কট ১৫ দিনে পা, জামিন পেয়েও ছাড়া পাচ্ছেন না ধৃতরা

বর্ধমান চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনজীবীদের বয়কট ১৫ দিন অতিক্রান্ত হলো। মিললো না কোনো সমাধান সূত্র। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা। যদিও এই বয়কট থেকে সরে আসার জন্য বার অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দিয়েছেন জেলা জজ কুন্দন কুমার কুমাই। সামনে পুজোর মরশুমে বিচারপ্রার্থীদের কথা মাথায় রেখে এই বয়কট প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। পালটা বারের পক্ষ থেকেও বয়কটের ব্যাপারে জেলা জজকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

এদিকে ১৫ দিন ধরে বয়কটের কারণে বিচারপ্রার্থীরা চরম সমস্যায় পড়েছেন। তার উপরে বেলবন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্তে এই সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে  দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কেসে জামিন পেয়েও ছাড়া পাচ্ছেন না ধৃতরা। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে ৩২ জন গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন জেলা ও দায়রা বিচারক। কিন্তু বেলবন্ড জমা না পড়ায় তারা মুক্তি পায়নি। ফলে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। তাই জামিন পাওয়ার পরেও মুক্তি পাচ্ছেন না ধৃতরা। এদিকে বেলবন্ড জমা পড়া নিয়েও আইনজীবীদের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। জানা গেছে বারের পক্ষ থেকে বেল বন্ড জমা দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বেলবন্ড দ্বিতীয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে জমা পড়লেও বন্ড সংক্রান্ত তথ্য সি জে এমের অফিসে নথিভুক্ত হয়। ফলে বেলবন্ড জমা দেওয়া নিয়ে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা মানা হয়নি। এদিকে বারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে ল-ক্লার্ক অ্যাসোসিয়েশন।

এদিকে বিচার প্রার্থীদের অভিযোগ বেশ কিছু মানুষ জামিন পাওয়ার পরেও ছাড়া না পাওয়ায় তাদের সংসার পরিজনেরা নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। বেশ কিছু মানুষ জেলে আছেন যারা চাষবাস করেন। ধান কাটার সময় চলে আসছে । সামনেই পুজো। ফলে তারা জেলে আটকে থাকায় সমস্যায় পড়েছেন তারা। বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সঞ্জয় ঘোষ বলেন আমাদের সমস্যা না মেটায় আমরা বিষয়টা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

Leave a Reply