আসানসোলে পুলিশকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ালো তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলের  

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমার বাংলা ডেক্স ঃ  এবার পুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের কাউন্সিলারের ছেলের বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় পুলিশের একজন এ এস আই ও সিভিক পুলিশকে চিকিৎসার জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আসানসোলের উত্তর থানার বার্মাশোল এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে এই ধরণের ঘটনার খবর তারা জানতে পেরেছে। পুলিশ ব্যবস্থা নিক। তৃণমূল কোনো ভাবেই পুলিশকে মারার ঘটনা সমর্থন করে না। পুলিশ ঘটনার অদন শুরু করেছে।

asansol-ke-traffic-police-ko-pitae-5

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ আসানসোলের বাইপাস সংলগ্ন বার্মাশোল মোড় এলাকায় এ এস আই রবি কুমার দাস, বেশ কিছু সিভিক পুলিশ নিয়ে গাড়ি চেকিং এর কাজ করছিলেন।। সেই সময় একটা চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়। গাড়ির নাম্বার না থাকায় ওই এ এস আই গাড়ির কাগজ পত্র দেখতে চায়। কিন্তু গাড়িতে থাকা ব্যাক্তিরা কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। ফলে পুলিশ গাড়ি আটকালে তাদের সাথে বচসা শুরু হয়। সেই সময় আসানসোল ৪০ নং ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার উষা সিং এর ছেলে চাঙ্কি সিং সেখানে এসে উপস্থিত হয়। সে গাড়ি চালকের পক্ষ নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু পুলিশ গাড়ি ছারতে না চাইলে হঠত মারমুখী হয়ে ওঠে চাঙ্কি। সে নিজেকে তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলে পরিচয় দিয়ে ওই এ এস আই ও এক সিভিক পুলিশকে চড় ঘুষি মারতে থাকে। এরপরেই সে পালিয়ে যায়। এদিকে মার খেয়ে আহত অবস্থায় এ এস আই রবি কুমার দাস ও সিভিক পুলিশ আবু জাহের খানকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়।সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। আজ বিকালে আসানসোল উত্তর থানায় ওই তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলে চাঙ্কি সিং এর নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এদিন উষা সিং এর সাথে ফোনে যোফগাযোগ করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। চাঙ্কি ফোন রিসিভ করে জানায় সে মারধর করেনি বরং ওই পুলিশকে মারধরের হাত থেকে সেই বাচিয়েছে। আকে মিথ্যে ফাঁসানো হচ্ছে। আসানসোলের তৃণমূলের জেলা সভাপতি ভি শিবদাসন দাশু বলেন ঘটনার কথা শুনেছি। আমরা পুলিশকে মারধরের ঘটনা মোটেই সমর্থন করি না। পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। এসিপি সেন্ট্রাল বরুন বৈদ্য বলেন পুলিশকে মারধরের ঘটনায় অভিযোগ জমা পড়েছে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ছবি ঃ বিজু মন্ডল

Leave a Reply