কংগ্রেস ও তৃণমূলের আঁতাতের ইঙ্গিত পেতেই বুথ স্তরে কমিটি গড়লো বিজেপি

শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে বসে এক বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের বিজেপির মোকাবিলা করার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসলো জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও জেলা বিজেপি সূত্রে খবর , পুজোর আগে থাকতেই রাজ্য নেতৃত্ব তাদের কাছে বার্তা দিয়েছিল পুজোর পরেই ফের কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে নতুন করে একটা রাজনৈতিক মিলিকরণ হবে। তারা বাংলায় বিজেপির মোকাবিলায় নামবে। তাই আগে থাকএই রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে তারাও নিচু তলায় কমিটিকে ঢেলে সাজাতে শুরু করেছে। এদিকে  কংগ্রেস তৃণমূলের জোটের ইঙ্গিত পেয়ে বুথ স্তরে শক্তিশালী কমিটি গঠন করলো বিজেপি। দলকে আরো শক্তিশালী করতে বর্ধমান সদরের ১৬ টি মন্ডলকে ভাগ করে জেলা পরিষদ ভিত্তিক ৩৯ টি মন্ডলে নতুন কমিটি গঠন করা হলো। এরমধ্যে ছটি নগর মন্ডল। ৩৩ টি জেলা পরিষদ । ৩৯ জন নতুন মন্ডল সভাপতির নামও ঘোষণা করলো বিজেপি। রবিবার বর্ধমানের লায়ন্স ক্লাবের মিটিং হলে দলের কার্যকারিনী সভা সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বর্ধমান সদরের ১৬ টি মন্ডল থেকে প্রায় শতাধিক বুথ স্তরের  বিজেপি নেতা হাজির ছিলেন। বৈঠক শেষে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, এই রাজ্যের সাথে সাথে বর্ধমান জেলায়ও গণতন্ত্র উঠে গিয়ে দলতন্ত্রে পরিণত হয়েছে জেলা প্রশাসন। বামফ্রন্টের আমলে সমস্ত প্রশাসন টাকেই বামফ্রন্ট্রের ক্রীতদাসে পরিণত করেছিল তারা। দিদিমণি ক্ষমতায় আসার পরে দেখা যাচ্ছে আসল বামপন্থীই তিনি। এইভাবে গণতন্ত্র না থাকলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। তার অভিযোগ ইতিমধ্যেই খাগড়াগড় কান্ড দেশের নাম ডুবিয়েছে এই বর্ধমান। আতংকবাদীদের বর্ধমান সেফ করিডর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাই প্রশাসন থেকে দলতন্ত্র তুলে দিয়ে গণতন্ত্র বাঁচাও এর ডাক দিয়ে আন্দোলনে নামতে চলে বিজেপি বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।  সন্দীপ নন্দী বলেন, মন্তেশ্বর বিধানসভায় উপনির্বাচনে আগামী ২৭ অক্টোবর  বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। এছাড়া   ২৯ নভেম্বর জেলা বিজেপির ডাকে এক জনসভায় রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বক্তব্য রাখবেন। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন চ্যাটার্জী, বিশ্বনাথ চ্যাটার্জী, জেলা নেতা নব কুমার হাজরা প্রমুখ।

Leave a Reply