গন্ধেশ্বরী নদীর গতিপথ বের করতে বাঁকুড়ায় শুরু হলো অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ

অরুণাভ নিয়োগী,বাঁকুড়া 

শহরের প্রাণকেন্দ্রে একমাত্র নদী গন্ধেশ্বরীর গতিপথ বের করতে কঠোর জেলা প্রশাসন।এর আগে জেলাপ্রশাসন থেকে তিনবার মাইকিং করে অবৈধ নির্মান ভেঙ্গে ফেলতে বলা হয়।কিন্তু তা না করায় প্রশাসনের তরফে বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে ফেলতে শুরু করা হয় ওই অবৈধ নির্মান।

প্রসঙ্গত,বাঁকুড়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এক মাত্র নদী গন্ধেশ্বরী। শহরের জলের একমাত্র আঁধার এই নদীটি। দীর্ঘদিন যাবৎ ধরে ওই নদীর চরের ধারে দুপাশাড়ি ভাবে বেড়ে চলেছিল অবৈধ নির্মান। একশ্রেনীর অসাধু মানুষের সহযোগিতায় গড়ে উঠছিল এই নির্মানের কাজ বলে যানা যায়। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছিল বাঁকুড়ার নদী বাঁচাও কমিটি।অবৈধ নির্মান এতটাই প্রবল আকার ধারন করেছিল যে,এবছর নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে গিয়ে শহরের একাংশে বন্যা দেখা দিয়েছিল।তারপর থেকে তিনবার প্রশাসনের তরফে ওই অবৈধ নির্মান ভেঙ্গে ফেলার জন্য বলা হয়।কিন্তু কেউ তা না করায় আজ বুলডোজার দিয়ে ভাঙ্গতে শুরু করা হয় ওই নির্মানগুলি।

নদী বাঁচাও কমিটির সদস্য গঙ্গা গোস্বামী বলেন, “যখন বাইপাস রাস্তা হয় ,তখন ক্ষতিপূরণ  নিয়ে ওই সমস্ত যায়গার উপর রাস্তা হয়।তারপর নাতি পুতিরা ওই দলিল দেখিয়ে ওই যায়গা বিক্রি করে। সেই অবৈধ যায়গা ছাড়াও বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ করে নির্মান শুরু করে এক শ্রেনীর মানুষ। আমরা ১৩বছর ধরে আন্দোলন করে চলেছি। সরকারি ভাবে তিন বার মাইকিং করা হলেও কোন কাজ হয় নি। আজ ডোজার দিয়ে ভাঙ্গতে শুরু করা হয়েছে। দেখাযাক কি হয়।”

স্থানীয় বাসিন্দা স্বরূপ রায় বলেন, “ভালোই হচ্ছে। এটা আরো আগে করা দরকার ছিল। যারা এই নির্মান করেছিল তাদের সেইটা অবৈধ নির্মান ছিল। এটা করা উচিত ছিল না। যেটা হচ্ছে ভালই হচ্ছে।”

Leave a Reply