জেলাশাসকের আশ্বাসে আশায় বুক বেঁধেছে চাষা

প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিরা তখন শিলান্যাসে ব্যস্ত মিষ্টি হাবের জন্য। সেই সময় পাশেই নিজের ধানজমিতে আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত ছিলেন বছর পঁয়ষট্টির লক্ষ্মী নারায়ণ হেমব্রম। আর কিছুদিন পরেই ধান কাটার কথা। কিন্তু ধান কাটতে পারবেন কি না তা নিয়ে ছিলেন চিন্তিত। প্রায় এগারো কাঠা জমিতে ধান চাষ করেছেন। ধান কাটা হলে ৪০ থেকে ৪২ বস্তা ধান পাওয়া যাবে।  চিন্তিত লক্ষ্মীনারায়ণ কে আশ্বস্ত করেন বর্ধমানের জেলাশাসক ড সৌমিত্র মোহন । আর জেলাশাসকের আশ্বাসেই আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন লক্ষ্মীনারায়ণ।

DSC_6372

জেলাশাসক ড সৌমিত্র মোহন জানিয়েছেন এই প্রকল্পের জন্য সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসায় আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই।  আজ থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে।  এখানকার বিভিন্ন কাজ কর্মে আমরা স্থানীয় মানুষকে অগ্রাধিকার দেবো। তিনি এই আধ একরের মধ্যে এগারো কাঠা জমিতে লক্ষীনারায়ণ হেমব্রম নামে যে ব্যাক্তি ধান চাষ করছেন তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৬৫ বছরের এই বৃদ্ধকে বার্ধক্য ভাতা দেওয়া হবে বলেও জেলাশাসক ঘোষণা করেছেন।

DSC_6388

জাহের স্থান কমিটির  সভাপতি রসো হেমব্রম প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থাগত জানিয়ে বলেছেন স্বাধীনতার সত্তর বছর পরে এই সরকার আমাদের জন্য চিন্তাভাবনা করছেন দেখে ভালো লাগছে তাই  উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের দখলে থাকা জায়গা আমরা ছেড়ে দিয়েছি।  আর জাহের স্থানের নামে যে জমি প্রশাসন দিয়েছে সেখানে সারা বছর নানা অনুষ্ঠান  আমরা করে আসছি।  এদিকে এগারো কাঠা জায়গায় যিনি ধান চাষ করছেন সেই বৃদ্ধ লক্ষ্মী নারায়ন হেমব্রম এদিন জমির আগাছা পরিস্কার করতে করতে বলেন আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি এই চাষ শেষ না হওয়া পর্যন্ত  জমি যেন না নেওয়া হয়। কারণ এই চাষের আয় থেকেই আমাদের সংসার অনেকাংশে নির্ভরশীল।

 

Leave a Reply