দিদির বাড়ি ফোঁটা নিতে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায়  মৃত্যু বাবা ও ছেলের, আশংকাজনক মা

আমার বাংলা ডেক্স ঃ দিদির বাড়ি  ভাইফোঁটা নিতে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায়  মৃত্যু হলো বাবা ও ছেলের । আশংকা জনক অবস্থায় ওই শিশুটির মাকে প্রথমে জামালপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরে  বর্ধমান মেডিকেল কলেজ এবং সেখানে অবস্থার অবনতি হলে  কলকাতায় এস এস কে এমে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।  পুলিশ ঘাতক ট্রাক টিকে আটক করলেও ড্রাইভার ও খালাসি পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে মৃতদের নাম সৌমেন চ্যাটার্জী (৪৪) ও তার আট বছরের শিশুপুত্র অভিজ্ঞান চ্যাটার্জী। আহত হয়েছেন সৌমেন বাবুর স্ত্রী মহুয়া চ্যাটার্জী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলার দিকে বর্ধমান শহরের কালনা গেট এলাকার বাসিন্দা সৌমেন চ্যাটার্জী বাইকে চড়ে তার স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে নিয়ে জামালপুরের শ্রীকৃষ্ণ পুর এলাকায় দিদির বাড়ি যাচ্ছিলেন। সৌমেন বাবু বর্ধমান শহরের কালনা গেটে বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন। তার আদি বাড়ি রায়না থানার মেড়াল এলাকায়। তিনি পেশায় গৃহশিক্ষকতা করেন। আজ বাইকে করে যাওয়ার সময় জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোনার সেতু পার হওয়ার সময় সামনে একটা সাইকেল চলে আসে। সেই সাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে ব্রেক কষেন সৌমেন বাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে আসা একটা আলু বোঝাই ট্রাক তাকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারে। ট্রাকটি সৌমেন বাবু ও তার ছেলেকে পিষে দিলে সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়। এরপর মহুয়া দেবীর পায়ের উপর দিয়ে ট্রাক পালিয়ে যায়। কিছুটা গিয়েই ট্রাক ছেড়ে পালিয়ে যায় ট্রাকের চালক ও খালাসি।

খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে পাঠায়। এদিকে মহুয়া চ্যাটার্জীকে প্রথমে জামালপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতায় এস এস কে এমে স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশ আলুর ট্রাক টিকে আটক করলেও ট্রাকের ড্রাইভার ও খালাসি পলাতক।

Leave a Reply