দিনে দিনে  হারিয়ে যাচ্ছে দীঘার ঝাউ বাগান! কিন্তু কেন? ক্লিক করে দেখুন

জাহাঙ্গীর বাদশা, দীঘা:   স্বপ্ন সুন্দরী  দীঘায় প্রতিনিয়ত পর্যটকদের আনাগোনার ফলে এলাকায় বর্জ্য জমে জমে স্তুপে পরিণত হয়। কিন্তু সেই বর্জ্য নির্দিস্ট জায়গায় রাখার পরিকাঠামো না থাকায় সেই বর্জ্যকে পুড়িয়ে নষ্ট করা হচ্ছে। যার ফলে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। পরিবেশ দুষিত হওয়ার ফলে দিঘার সৌন্দ্যার্য ঝাউ বাগানের ঝাউগাছ হারিয়ে যেতে বসেছে। দীঘার যত্রতত্র পর্যটকদের ফেলানো নোংরা আবর্জনা, প্লাস্টিক, ঠোঙ্গা, কাগজপত্র পড়ে থাকে। সেই সমস্ত নোংরা আবর্জনা নিউদীঘার যাত্রানালার কাছে নিয়ে গিয়ে জমা করা হয়ে থাকে। এর ফলে দিনের পর দিন জমা হতে হতে স্তুপে পরিণত হয়। আর সেই স্তুপে আগুন লাগানোর ফলে ধোঁয়ায় পরিবেশ দুষিত হয়। আর সেই দুষনের ফলে ঝাউ বাগানের ঝাউগাছ ক্রমের নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

pix-borjer-stupe-agun-digha-2

দীঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসক  সুজন দত্ত জানিয়েছেন, দীঘার বিভিন্ন জায়গার নোংরা আবর্জনা নিউ দীঘার ঝাউ বাগানের মধ্যে রাখার পাশাপাশি পরিকাঠামোর অভাবের কথা স্বীকার করলেও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এলাকার কিছু মানুষ নোংরা আবর্জনার মধ্য থেকে কাঁচের বোতল সংগ্রহের জন্য স্তূপে আগুন লাগায়। আমরা নোংরা আবর্জনাকে নষ্ট করার জন্য দুবার টেন্ডার ডাকা হয়েছিল তাতে ঠিকাদাররা এগিয়ে আসেনি। যাতে নোংরা আবর্জনা ফাঁকা মাঠ ভরাটের কাজে লাগানো যায় তাঁর ব্যবস্থা করা হবে ।

জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ দেবব্রত দাস জানান, এলাকা থেকে দূরে ডাম্পিং স্টেশন গড়ে তোলা হয়েছে। এতদিন তা ছিল না। ডাম্পিং স্টেশানে জমা নোংরা আবর্জনাকে বৈজ্ঞানিক  প্রদ্ধতিতে নষ্ট কারর জন্য উন্নয়ন পর্ষদ ও জেলাপরিষদ  কাজে হাত লাগিয়েছে।

রামনগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই সার জানিয়েছেন, দীঘায় পর্যটকরা যাতে যত্রতত্র নোংরা আবর্জনা  না ফেলায় তাঁর দেখাশুনার জন্য ৭০জন কর্মী রয়েছে। তাঁরা দেখাশুনো করছে। তা সত্ত্বেও কিছু পর্যটক চোখ এড়িয়ে নোংরা আবর্জনা  ফেলে চলেছে। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে উন্নয়ন পর্ষদের মিটিং রয়েছে সেখানে আমরা বিষয়টি তুলে ধরে উন্নয়ত মানে মেশিন নিয়ে এসে নোংরা আবর্জনা নষ্ট করার ব্যবস্থা করা হবে।

 

Leave a Reply