ধস নামলে, জলে ডুবলে কীভাবে উদ্ধার সম্ভব হাতে কলমে দেখালো ইসিএল ও বিপর্যয় দফতর

 

দুপুর নাগাদ হঠাত করে অন্ডালের শংকরপুর কোলিয়ারি এলাকায় বিপদ ঘন্টি বেজে ওঠে। ঘন্টার আওয়াজের সাথে সাথেই একদিকে দমকলের ইঞ্জিন অন্য দিকে ইসিএলের রেসকিউ দল ছুটে যায়। ধসের চাপা পড়ে থাকা এক ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে ইসিএলের পরিতক্ত্য খোলামুখ খনিতে জল জমে ছিল। সেখানে এক কিশোর পরে গেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ও সেখানে ডুবুরি নামিয়ে শুরু করেছে উদ্ধারকাজ। এদিকে ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেনবর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক নিখিল নির্মল,  দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক শঙ্খ সাঁতরা, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের জয়েন্ট ডিরেক্টর সঞ্জয় দাস প্রমুখ। একসাথে দু দুটো ঘটনার জেরে চমকে ওঠে কোলিয়ারি এলাকার কর্মীরা। পাশাপাশি তারা আশ্চর্য হয়ে যান অন্যদিন তো এভাবে কারো দেখা পাওয়া যায় না , আজ তাহলে সবাই এলো কীভাবে?

ভুল ভাঙলো কিছুক্ষণ পরেই। দেখা গেল রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ও ইসিএলের মাইনস রেসকিউ দল একসাথে ধস ও খনিতে বিপর্যয় মোকাবিলায় মক ড্রিল করছে।

andal-mines-rescue_photo-1

কি দেখানো হল মক ড্রিলের সাহায্য,

শংকর পুর এরিয়ায় খোলামুখ খনি এলাকায় হঠাত করে ধস নামে । সেখানে ধসে এক যুবক চাপা পড়ে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ও ইসিএলের উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে ওই যুবককে উদ্ধার করে। খোলামুখ খনি এলাকায় অনেক জায়গায় পরিতক্ত্য বেশ কিছু খনি পরে আছে। বৃষ্টির জেরে ওই খোলামুখ খনিতে জল জমে যায়। এদিকে মাঝে মাঝেই শোনা যায় পরিতক্ত্য খনির জলে কোনো কিশোর তলিয়ে গেছে। এদিন এই ধরণের ঘটনা ঘটলে ডুবুরিরা কীভাবে উদ্ধার করবে হাতে কলমে তা দেখানো  হয়।

দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক শঙ্খ সাঁতরা জানান, এই প্রথম খনি অঞ্চলে ইসিএলের রেসকিউ দল ও রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনিতে খনি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় মক ড্রিল করে। এছাড়া সিভিল ডিফেন্স, স্বাস্থ্য ও পুলিশের তরফেও অংশ নিয়েছিল।

Leave a Reply