পুজো ও মহরমে জোর করে চাঁদা আদায় করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

পুজো ও মহরমে শান্তি শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্নে কাটানোর জন্য নানা সতর্কতামূলক ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করলো জেলা প্রশাসন।যেমন এক জানালা নীতি , অনলাইনে আবেদন, পুজোর গাইড  লাইন প্রকাশ, ফেরিঘাটে বিশেষ টিম, বাচ্ছাদের পকেটে ঠিকানা এবং  হেল্প লাইন ৯৭৭৫২৭৪৩৮৮ নম্বরে বিপদ গ্রস্থ মহিলারা ফোন করলে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   সংস্কৃতি লোকমঞ্চে জেলা পর্যায়ে পুজো কমিটি ও মহরম কমিটিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপুর্ণ বৈঠকে বসলো জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকেরা। বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক ডঃ সৌমিত্র মোহন , পুলিশ সুপার কুনাল আগরওয়াল সাংসদ সঙ্ঘমিতা চৌধুরি, দুই বিধায়ক, পুরসভার চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য সরকারি আধিকারিকেরা। হাজির ছিলেন পানাগড় থেকে কালনা কাটোয়া, দক্ষিণ দামোদর জেলার সমস্ত প্রান্ত থেকে পুজো ও মহরম কমিটির কর্মকর্তারা। বৈঠকে পুজো ও মহরম কমিটির কর্মকর্তারা কয়েকটি দাবির উপরে জোর দিয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য  রাস্তাঘাট চাঁদা তোলার উপরে তীব্র নজরদারি, অনুমতির ক্ষেত্রে সিঙ্গেল উইনডো সিস্টেম কার্যকরী করা ইত্যাদি। প্রথম আবেদনটিতে কার্যত অবাক হয়ে যান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। চাঁদা তোলার প্রসঙ্গে জেলাশাসক বলেন কেউ স্বেচ্ছায় চাঁদা দিলে কোনো সমস্যা নেই। জোর করে চাঁদা না তুললেই হলো।

এক পুজোর কর্মকর্ত সরাসরি জেলাশাসক  ও পুলিশ সুপারকে অভিযোগ করেন এক জানালা নীতি জেলাপ্রশাসন ঘোষণা করলেও গতকাল বর্ধমান পুরসভায় গিয়ে দেখা যায় সেখানে শুধুমাত্র পুলিশের লোকেরাই ছিল বাকি বিদ্যুৎ, দমকল, পুরসভা এর কোনো লোকেরাই ছিলেন না। অভিযোগ শোনার সঙ্গে সঙ্গে জেলাশাসক মহকুমাশাসককে নির্দেশ দেন আগামী  কাল থেকেই এই এক জানালা নীতির একটি বিভাগে লোক থাকবে আর অন্য বিভাগে লোক থাকবে না সেটা যেন না হয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য নির্দেশ দেন তিনি।

Leave a Reply