বর্ধমানের ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য শহরে

এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের লাশ উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো বর্ধমানে। রেললাইনের পাশ থেকে লাশটি জি আর পি উদ্ধার করলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি। ওই জায়গা বর্ধমান থানার এলাকাভুক্ত বলে এড়িয়ে যেতে যায়। পরে বর্ধমান থানা অস্বীকার করলে খুনের অভিযোগ নিতে বাধ্য হয় জি আর পি।

মৃত ছাত্রের নাম শেষাদ্রী হালদার (১৯)। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ আই টির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি বর্ধমান থানার শান্তিনগর শরতপল্লী এলাকায়।মৃত ছাত্রের পরিবারের তরফে  বর্ধমান জি আরপির কাছে অভিযোগ করা হয়। শেষাদ্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে  শেষাদ্রী ও শুভাশিস মুর্মু নামে তার এক বন্ধু গিটার শিখতে বেরোয় মোটর বাইকে চেপে। রাতে তাদের  কাছে ফোন আসে যে  দুর্ঘটনার কারণে শেষাদ্রিকে  হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।  হাসপাতালে গিয়ে তারা দেখেন যে  সেখানে সে  ভরতি নেই। ভরতি রয়েছে ওর বন্ধু শুভাশিস।শুভাশিসের কাছে  খবর জানতে চাইলে সে অসুস্থ হওয়ার ভান করে চুপ করে থাকে। কিছু জানায় না। এরই মধ্যে পরিবারের লোকেরা  ঘটনাস্থলে যায় । সেখানে গিয়ে স্থানীয় মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক ব্যাক্তি জানায় পাঁচ বন্ধু মিলে এখানে তর্ক বিতর্ক করছিল। তার পরেই রেললাইনের একটা জঙ্গলের মধ্যে শেষাদ্রীর  মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা । পাশেই গাড়িটি ও হেলমেট পড়ে ছিল। এরপরেই পরিবারের তরফে  জি আর পিতে অভিযোগ করা হয় । যেভাবে তাকে  মাথার পিছনে লেগেছে সেটা দুর্ঘটনা জনিত ঘটনা নয়। তাকে আঘাত করেই মারা হয়েছে বলে অনুমান পরিবারের।

Leave a Reply