বহু নামের অধিকারী গণপতি, রীতা দে

বিঘ্ননাশক, বিনায়ক, গজানন- আরও বহু নামের অধিকারী গণেশ বা গণপতি।  পৌরাণিক কথা অনুযায়ী মহাদেব ও পার্বতীর জ্যেষ্ঠপুত্র। ইনি গণের অধীশ্বর এবং সর্বকাজে সিদ্ধিদাতা।

ব্যাসদেব মহাভারত রচনা করার আগে উপযুক্ত লিপিকারের খোঁজ করতে করতে ব্রহ্মারর কাছে উপস্থিত হন। ব্রহ্মা ব্যাসকে গণেশের শরণাপন্ন হতে বলেন। ব্যাসদেব গণেশ রাজী হন

কিন্তু শর্ত রাখেন যে লেখার মধ্যে কোনো বিরাম থাকলে চলবে না।ব্যাসদেব গণেশকে অবিরাম বলে যাবেন আর গণেশ বিরামহীন লিখে যাবেন। ব্যাসদেবও গণেশকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে নেন যে, শ্লোকের অর্থ না বুঝে গণেশ লিখতে পারবেন না। সেইমতো মহাভারত রচনার কাজ শুরু হয় অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। গণেশের লেখনী যখনইই অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলত তখন ব্যাসও দুরূহ শ্লোক রচনা করতেন। অর্থ বুঝে লিখতে গিয়ে গণেশের লেখনীর গতি মন্থর হত, সেই অবসরে ব্যাস আরও অনেক শ্লোক মনে মনে রচনা করে ফেলতেন। এইসব দুরূহ শ্লোকগুলি ব্যাসকূট নামে পরিচিত।

ওঁ সিদ্ধিদাতা গণেশায় নম

 

Leave a Reply