বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়াম দেখে নস্টালজিক হয়ে পড়লেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

এবি ওয়েব ডেক্স :  বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মিউজিয়াম দেখে এটাকে একটা  নস্টালজিক বলে অভিহিত করলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে তিনি এই মিউজিয়ামের কথা জানতে পেরে সটান সেখানে ঢুকে পড়েন। কার্যত তিনি মিউজিয়াম দেখে আশ্চর্য হয়ে যান। ১৯৬৫ সাল থেকে এই মিউজিয়ামে একটা একটা করে বর্ধমান, হুগলি, বীরভূম আশেপাশের জেলা গুলির প্রাচীন দুর্মূল্য স্থাপত্য নিয়ে এসে ঠাই দেওয়া হয়েছে। এখানে যেমন আছে প্রাগতৈহাসিক যুগ থেকে শুরু  করে  গুপ্তযুগ, পাল ও সেন যুগের স্থাপত্য তেমনি রয়েছে মধ্যযুগ  সুলতানি আমল, ব্রিটিশ শাসন কালের বেশ কিছু নিদর্শন। এসব একে একে তিনি ঘুরে দেখেন।

4

মিউজিয়ামের দ্বিতলে রয়েছে বর্ধমান রাজ রাজাদের তৈলচিত্র, তাদের আবক্ষ মূর্তি এবং সবচেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণীয় বিজয় চাঁদ মহতাবের অভিষেক কালের এক বিশালাকার তৈলচিত্র। এসব ঘুরে দেখার পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন আমি খুব ছেলেবেলা থেকেই বর্ধমানে বহুবার এসেছি। ছাত্রবস্থাতেও এসেছি। রাজনীতি করার সময়েও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে মহুবার গেছি। কিন্তু এত সুন্দর একটা মিউজিয়াম আছে জানা ছিল না। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আর কোনো নিজস্ব মিউজিয়াম আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে। আমার যতদূর জানা আছে বড়ো বড়ো শহরে বড়ো মিউজিয়াম আছে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মিউজিয়াম এই প্রথম দেখলাম। এখানে রাজ্যের প্রাচীন স্থাপত্য রয়েছে। প্রাচীন যুগে মানুষের হাতের কাজ যে কত উন্নত ছিল তা এসব না দেখতে বোঝা যাবে না। প্রাচীন কালের এসব স্থাপত্যকে এখানে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এগুলো  বর্ধমান জেলা ও আমাদের রাজ্যের কাছে গর্বের বিষয়। এই গর্ব ও অহংকারকে ধরে রাখতে হবে। তিনি বলেন আর্কিওলজি ছাত্রছাত্রীদের কাছে এটা গবেষণার কাজে খুবই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করছে। শুনেছি এগুলো আগে বিচ্ছিন্ন ভাবে রাখা থাকলেও আমাদের সময় সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা হয়েছে।

Leave a Reply