ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নার্সিংহোম গুলিতে চলছে মূলত অনৈতিক কাজকর্ম বলছে শহরবাসী

এবি ওয়েব ডেক্স :  বর্ধমান শহরে শিশু  পাঁচ চক্রের হদিস মিলতেই নড়ে চড়ে বসলো পুলিশ প্রশাসন। ধৃত রোশনারাকে  জেরা করে পুলিশ খোসবাগানের লাইফ নার্সিংহোমের হদিস পায়।  এর পরেই  পুলিশ ওই নার্সিং হোমের মালিক সাধন কুমার ঘটক ও অপর একটি নার্সিং হোমের আয়া সন্ধ্যা মিত্রকে গ্রেফতার করে। যদিও নার্সিংহোমের মালিক সাধন কুমার ঘটক সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলছেন এর পিছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ৩৭ বছরের এই নার্সিংহোম মূলত ম্যানেজার চালাতো তিনি জানতেন না কি ঘটছে বলে দায় এড়াতে চেয়েছেন তিনি। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ  ১০ বেডের এই নার্সিংহোমে মূলত গর্ভপাতের মতো অনৈতিক কাজকর্মই চলতো। পাশাপাশি রোশনারার মতো আয়াদের সাথে যোগসাজসের মাধ্যমে চলতো শিশু পাচারের মতো ঘটনা।  তাদের অভিযোগ বর্ধমান শহরে  ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নার্সিংহোম গুলিতে চলছে মূলত অনৈতিক কাজকর্ম বলছে শহরবাসী ।

বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, একটি নার্সিং হোম থেকে কেউ একটা শিশুকে নিয়ে চলে যায়। ওই মহিলা পাচারকারী আগে ওই নার্সিং হোমে আয়ার কাজ করতেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে নার্সিংহোম মালিক দাবি করেছে তারা শিশু পাচারের কাজে যুক্ত নয়। পুলিশ অভিযুক্তদের আদালতে পাঠিয়ে পুলিশি হেপাজতে নেয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

পড়ুন শিশু পাচার নিয়ে ‘আমার বাংলা’র বিশেষ প্রতিবেদন আয়ার কাজ করা রোশনারা রাতে ঘুরে বেড়াতো কালো কাঁচের গাড়িতে

Leave a Reply