মাছের বাজারে দেদার লেনদেন হলো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের! কিন্তু কেন? জানতে হলে ক্লিক করুন

আমার বাংলা ডেক্স : ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট অচল হওয়ায় যখন তোলপাড় গোটা দেশ তখন সকাল থেকেই পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটের দেদার লেনদেন হলো বর্ধমানের মাছের বাজারে। বর্ধমানের পাইকারি মাছের বাজার হলো তেঁতুল তলা বাজার , রানীগঞ্জ বাজার।  এমনিতেই কোন আড়তদার কত কেই মাছ পরের দিন কিনবেন সেটা তার একটা আভাস আগের দিনেই মাছের কোম্পানীগুলিকে দেওয়া থাকে। সেই মতো রাতের অন্ধকার থাকতে থাকতেই সেই মাছ পৌঁছে যায় আড়তদারের ঘরে। ভোরের আলো ফুটতেই খুচরো ব্যবসা দারেরা হাজির হয় মাছের আড়তে। কেউ নগদে আবার কেউ ধারে মাছ কিনে নিয়ে যান। যারা ধারে মাছ কিনে নিয়ে যায় সেই কেনা মাছের একটা অংশ সকাল দশটার পর থেকে আড়তদারকে মিটিয়ে দিতে হয়। আর সেই কারবার হয়ে থাকে মূলত পাঁচশো ও হাজার টাকার নোট দিয়েই।

1-6

এদিন বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড় বাজার। স্টেশন বাজার, পুলিশ লাইন বাজার, নতুনগঞ্জ বাজার, কালনা গেট বাজারে গিয়ে দেখা গেল বেশীরভাগ খুচরো ব্যবসায়ীই খদ্দেরের কাছ থেকে পাঁচশো ও হাজার টাকা নোট নিয়ে মাছ বিক্রি করছেন। পাশাপাশি আড়তদারেরাও খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সেই ৫০০ ও ১০০০ টাকা নোট নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরো ব্যবসাদারেদের মতে যেহেতু রাতে ঘোষণা হয়েছে তাই সকালেই তারা মাছ কিনতে যেতে বাধ্য। নাহলে দোকান বন্ধ করে দিতে হতো। আর আড়তদারেরাও তাদের কাছ থেকে পাঁচশো ও হাজার টাকার নোট আজকের দিনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে সকাল থেকেই আজ কিন্তু মাছের বাজার মন্দা বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

dscn2650

তাদের  মতে  অন্যান্য দিন সকাল দশটার মধ্যে গড়ে হাজার সাত আটকের ব্যবসা হয়ে যায়। আজ সেখানে ব্যবসা হয়েছে মাত্র হাজার দুয়েক টাকার। তাও তারা পাঁচশো ও হাজার টাকার নোট নিয়েছেন বলে। তবে আগামীকাল থেকে আর তারা সেই নোট নেবেন না বলে জানিয়েছেন। এদিকে আড়তদারেরা বলছেন ভোর হতেই মাছ চলে আসে কোম্পানীর ঘর থেকে। তাই তাই তারা মাছ নিতে বাধ্য। তবে আগামীকাল থেকে মাছ নেওয়ার পরিমাণ তারা কমিয়ে দেবেন। আর যাতে খুচরো ব্যবসাদারেদের কোনো অসুবিধা না হয় সেই জন্য তারা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট নিচ্ছেন। আগামীকাল ব্যাংক খোলার পরে তারা এই নোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Leave a Reply