রানীগঞ্জে টোটো চালকদের বিক্ষোভ ,যানজট জাতীয় সড়কে

শিবরাম পাল, রানীগঞ্জ

রানিগঞ্জ শহরে ৬০ নং জাতীয় টোটো চালাতে দেওয়ার দাবি তুলে এলাকার টোটো চালকরা রানিগঞ্জের ২  নং বোরো দপ্তরের সামনে  দফায় দফায় বিক্ষোভ করলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে যানচলাচল। জানা যায় গত ৭ ই ডিসেম্বর রানিগঞ্জের ২ নং বোরো দপ্তরে আসানসোলের মহাকুমাশাসক প্রলয় রায়চৌধুরি  এক বৈঠকে জানান যে ১০ ই ডিসেম্বরের পর  ৬০ নং জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে কোন টোটো চালান যাবে না। জানা যায় রানিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১৪০০ টি টোটো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, যা ৫৭২ টি টোটোকে বিভিন্ন রুটে চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু কোন ভাবেই  ৬০ নং জাতীয় সড়কে টোটো চালনোর অনুমতি দেওয়া যাবেনা। সেই দিনই বৈঠকের পর রানিসায়ের মোড় থেকে একটি অবৈধ টোটো দোকান থেকে একটি টোটো বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি টোটোর দোকান  শীল করার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মতো বোরো দপ্তরের পক্ষ থেকে তা মাইকে প্রচারও  হয়। মঙ্গলবার পুলিশ  নির্দেশ  মত ৬০ নং জাতীয় সড়ক থেকে বেশ কিছু টোটো আটক করে চালকদের কাছ থেকে গাড়ির চাবি কেড়ে নিলে, এলাকার টোটো চালকেরা হুলুস্থুলুস কাণ্ড বেধে দেয়। টোটো চালকেরা এলাকার সমস্ত টোটো চালকদের একত্রিত করে ২ নং বোরো অফিসের সা্মনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে, যার ফলে রাস্তায় আটকে পড়ে অনেক গাড়ি। সেই সময় বোরো দপ্তরে আশা ডেপুটি মেয়র তবসুম আরা কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে টোটো চালকরা।  চালকদের দাবি রানিগঞ্জ বাজার বেশির ভাগ অংশই ৬০ নং জাতীয় সড়কের উপর। আর এই রাস্তার উপরেই স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ব্যাংক এমন কি বিভিন্ন অফিসও রয়েছে।  আর এই রাস্তা দিয়ে টোটো চলাচল বন্ধ হলে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে  হবে টোটো চালক সহ তাদের পরিবারকেও। তাছাড়াও টোটো চালকদের বক্তব্য গত কয়েক মাস আগে টোটো চালানোর অনুমোদন দেওয়ার সময় জাতীয় সড়কের উপর টোটো চালানোর নিষেধাজ্ঞা  আছে বলে কোন বার্তা দেওয়া হয় নি কেন? তার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন টোটো চালকরা।  অনেকে জানায়  বেকারের জ্বালায় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে টোটো কিনেছে, এর পরে যদি টোটো চালানো বন্ধ হয় তবে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হবে তাদের। এই সব বিষয় শুনে ডেপুটি মেয়র তবসুম আরা জানান যে বিষয় টি কে নিয়ে তিনি মহকুমা শাসকের সাথে বৈঠক করে সমাধানের উদ্যোগের  ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলবেন।

Leave a Reply