রানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার চিটফান্ড ডিরেক্টর

শিবরাম পাল, রানীগঞ্জ  

দীর্ঘ দিন প্রতারনা করে সহজ সরল গরিব মানুষদের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে বেড়ানোর পরেও পুলিশের কাছে ধরা পড় ল স্বর্ণভূমি নামক এক চিট ফান্ডের ডিরেক্টার সঞ্জয় কুমার নায়েক ও তার সঙ্গী প্রকাশ মাঝি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে গা ঢাকা দিয়ে ছিল  সঞ্জয় কুমার নায়েক ও তার সঙ্গী প্রকাশ মাঝি। সঞ্জয় ও প্রকাশের নামে তিন বছর আগে গঙ্গাজল ঘাঁটি থানায় টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ করা হয়েছিল আর তখন থেকেই তারা বেপাত্তা। পুলিশের সাথেও স্বর্ণভূমির এজেন্ট ও আমানত কারীরাও তাকে খোঁজ চালায়। কিন্তু শনিবার রানিগঞ্জে পাঞ্জাবী এলাকায় কয়েক জন এজেন্ট দেখতে পেয়ে আন্য এজেন্ট ও আমানত কারীদের খবর দিলে তারাও এসে তাদের ঘেরাও করে গঙ্গাজল ঘাঁটি থানায় খবর দেওয়া হলে, গঙ্গাজল ঘাঁটি থানায় ওসি রানিগঞ্জ থানা খবর দেন। পরে রানিগঞ্জ থানার পাঞ্জাবী মোড় ফাঁড়ির পুলিশ দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে। আর এই খবর জানা জানি হতেই এজেন্টরা পাঞ্জাবী ফাঁড়ির সামনে  স্বর্ণভূমিতে টাকা জমা দেওয়া রসিদ, মেয়াদ পূর্ণ  হওয়া দলিল হাতে নিয়ে ভিড় জমাতে থাকে । স্বর্ণভুমি চিট ফান্ডের এজেন্ট অমর ঘোষ, বঙ্কিম মণ্ডল, রক্ষিত ঘোষ, পান্ডব ঘোষরা জানাই যে এই চিট ফান্ডে কোন কোন  এজেন্ট ৩০ লক্ষ টাকা আমানত কারীদের সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। সারদ কেলেঙ্কারি হওয়ার  পরে সঞ্জয় কুমার নায়েক ও তার সঙ্গী প্রকাশ মাঝি টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে গঙ্গাজল ঘাঁটির স্বর্ণভুমি মেন  অফিসে সমস্ত আসল দলিল জমা নিয়ে সাদা কাগজে রিসিভ করিয়ে চম্পট দিয়ে দেয়। এর পরে আমাদের উপর টাকা ফেরত দেওয়ার চাপ সৃষ্টি করে আমানতকারীরা। এর ফলে বাধ্য হয়ে অনেকে নিজেদের জমি বিক্রি করে আমানত কারীদের ফেরত দেয়। অনেকে টাকা ফেরত দিতে না পেরে আত্মহত্যা করে নেই। তাদের দাবি অবিলম্বে তার সম্পতি বিক্রি করে সমস্ত আমানত কারীদের টাকা ফেরত দেওয়া হোক। এবং এই টাকা আত্মসাৎ করার জন্য তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।  এর পরেই গঙ্গাজল ঘাঁটি থানার পুলিশ আভিজুক্তদের নিয়ে বাঁকুড়া আদালতে পেশ করে পুলিশি হেপাজত চাওয়া হয়েছে।

Leave a Reply