শিশু পাচার কারীদের জেরা করতে বর্ধমানে এলো সি আই ডি

এবি ওয়েব ডেক্স : বর্ধমানে শিশু পাচার কান্ডে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার হওয়া দুই আয়া ও নার্সিংহোম মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্ধমান থানায় এলো সি আই ডির চার সদস্যের একটি দল। তারা ধৃত আয়া রৌশনারা বিবি, লাইফ লার্সিং হোমের মালিক সাধন কুমার ঘটক ও আয়া  সন্ধ্যা মিত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এই নার্সিংহোমের সাথে বনগাঁর হাতুড়ে ডাক্তার তপন বিশ্বাসের কোনো যোগাযোগ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। পাশাপাশি এই শিশু পাচার কান্ড শহরের কোন কোন নার্সিং থেকে হতো সেই খোঁজ খবরো নিয়েছেন তারা।ঘটনায় মূল অভিযুক্ত  রৌশনারা আগে লাইফ নার্সিং হোমে আয়ার কাজ করলেও বর্তমানে তিনি আর আয়ার কাজ করেন না। অথচ পুলিশ স্থানীয়দের কাছ থেকে  জানতে পেরেছে  বর্ধমানে বাড়ি ভাড়া করে তাকে থাকতে হয়। শুধু তাই নয় রাত হলেই রৌশনারা কোথায় বেরিয়ে যেত আর গভীর রাতে কালো কাঁচের গাড়িতে করে কাদের সাথে ফিরতো সেই বিষয়েও খোঁজ খবর নিয়েছেন গোয়েন্দারা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এদিকে নার্সিংহোম মালিক সাধন ঘটককেও জিজ্ঞাসাবাদ করে তপন বিশ্বাসের সাথে তাদের কোনো যোগাযোগ আছে কি না সেটাও দেখছে সি আই ডি।

প্রসঙ্গত বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা পাড়া এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন রোশনারা খাতুন। বিভিন্ন নার্সিংহোমের সাথে যোগাযোগ রেখে সেখান থেকে শিশু চুরি করে নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রির কাজে সে যুক্ত। এদিকে খবর জানাজানি হতেই স্থানীয়রা রোশনারাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে মারধর করতে থাকে। পরে তাকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃত রোশনারাকে  জেরা করে পুলিশ খোসবাগানের লাইফ নার্সিংহোমের হদিস পায়।  এর পরেই  পুলিশ ওই নার্সিং হোমের মালিক সাধন কুমার ঘটক ও অপর একটি নার্সিং হোমের আয়া সন্ধ্যা মিত্রকে গ্রেফতার করে।

Leave a Reply