সন্ত্রাসবাদী হানা কীভাবে হচ্ছে দেখতে হলে যেতে হবে অগ্রদূত সংঘে

আলোর উৎসব এখন শুধু সূচনার অপেক্ষায়। দীপাবলিকে সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে তুলতে শহর বর্ধমানে আয়োজনের কোনো খামতি নেই।  আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠেছে বর্ধমান। কালীপুজোকে ঘিরে সেজে উঠেছে নানা মণ্ডপ, থিম পুজো, পৌরাণিক মন্দির ও পাড়ার গলি-বাড়ি সর্বত্র। বলা যেতে পারে বারাসতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বর্ধমানেও কালীপুজোর আয়োজন চলছে জোরকদমে। একদিকে বিগ বাজেটের পুজো মণ্ডপ, সঙ্গে আধুনিক যুগের থিমের প্রচলনও শুরু হয়েছে কালীপুলোয়। কোথাও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ, কোথাও পঞ্চকালী, কোথাও দক্ষিনেশ্বর কালী মন্দির, আবার কোথাও দক্ষিণের মন্দিরের আদলে বিশালাকার মণ্ডপ। নানান থিম মেকার ও শিল্পী তাঁর ভাবনায় বর্ধমানের নানা মণ্ডপ সাজিয়ে তুলছেন। এই সব মণ্ডপ উদ্বোধন করছেন  শিল্পী, অভিনেতা ও প্রশাসনিক কর্তারা। বর্ধমানজুড়ে কালীপুজোর রমরমা বহুবছর ধরেই।

শহরের শাঁকারিপুকুরে অগ্রদূত সঙ্ঘের কালীপুজোর বেশ নামডাক রয়েছে। এই পুজোকে ঘিরে প্রতিবছরই দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে। এবারও রেকর্ড ভিড় টানতে পুজোর থিম করা হয়েছে ‘সন্ত্রাসবাদী হানা’। সঙ্ঘের সম্পাদক বিবেকানন্দ সেন জানান, এ রাজ্যের অন্যতম আধুনিক বিদ্যাসাগর সেতুতে হেলিকপ্টার নিয়ে ও স্থল পথে সন্ত্রাসবাদীরা আক্রমণ করতে আসে। সেই সময় মা কালী ও মহাদেব রণঙ্গীনি মূর্ত্তি ধারণ করে সন্ত্রাসবাদীদের বাধা দেয়। মোকাবিলা করতে আকাশ পথে যুদ্ধকপ্টার নিয়ে নামে সেনাবাহিনী। এই দৃশ্য দেখে দর্শনার্থীদের মনে দেশপ্রেম জাগবে বলে তাঁর বিশ্বাস। থিম মেকার কলকাতার বেহালার শিল্পী চন্দ্রশেখর শেঠ। প্রতিমা শিল্পী পান্ডব পাল। ডেকোরেটর বর্ধমানের জগৎগৌরি । এ ছাড়া শুক্রবার মণ্ডপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা, দুস্থদের কম্বল বিতরণ, শীতকালীন খেলার পুরস্কার বিতরণ ও ভলিবল খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করা হয়।

 

Leave a Reply