সমস্যা না মিটলে চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারি বর্ধমান আদালতের আইনজীবীদের

আমার বাংলা ডেক্স ঃ বিচার প্রার্থীদের কথা ভেবে বর্ধমান জেলা আদালতের  সিজে এম-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেও চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে আপাতত বিরত থাকলেন বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা। তারা আলোচনার মাধ্যমে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত একটা সময় সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। সেই সময়ের মধ্যেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে তারা চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে আজ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সোমবার দুপুর নাগাদ বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের সেন্ট্রাল হলে আইনজীবীরা  বৈঠকে বসেন। সেখানে প্রায় ঘন্টা দেড়েক আলোচনা চলে। পরে আলোচনা শেষে বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সদন তা বলেন আজ আমাদের বৈঠকে বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে সি জে এম সাহেব যেভাবে কোর্ট চালাচ্ছেন সেটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এর আগেও আমরা বার কাউন্সিল, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিকে বিষয়টি নিয়ে জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। বরং সি জে এম অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেট যেমন পঞ্চম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্যদের জানিয়েদিয়েছেন যাতে জামিন না দেওয়া হয়। যদিও এটা তার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। তিনি আরো স্বৈরাচারি হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন সদন বাবু। তিনি বলেন আমরা ফের বার কাউন্সিল ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির কাছে আমাদের দুঃখের কথা জানাবো। কিন্তু এরপরেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ২৮ নভেম্বর আমরা বৈঠকে চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

প্রসঙ্গত গত শনিবার বিকালের দিকে বেল পিটিশনের আগে নিজের চেম্বারে বসে পুলিশের সাথে আলোচনা করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযোগ তুলে  সিজে এম আদালত বয়কট করেন  আইনজীবীরা। আইনজীবীদের অভিযোগ বর্ধমান জেলা আদালতের সি জে এম আজ অনুপস্থিত থাকায় ভারপ্রাপ্ত সি জে এমের দায়িত্বে ছিলেন বিনোদ মাহাতো নামে এক ম্যাজিস্ট্রেট। এদিন আইন জীবীরা লক্ষ্য করেন মামলা শুরু হওয়ার আগে ওই বিচারক নিজের চেম্বারে বসে এক পুলিশ অফিসারের সাথে আলোচনা করছেন। এরপরেই তারা ওই ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত বয়কট করে বাইরে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এছাড়া গত আগস্ট মাসের শেষ থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত একটা গন্ডগোলের  সিজে এম আদালত বয়কট করেছিলেন আইনজীবীরা । ফলে জামিন পাওয়ার পরেও জেল থেকে ছাড়া না পেয়ে  চরম সমস্যায় পড়েছিলেন বিচারপ্রার্থীরা।

 

Leave a Reply