গায়ে হলুদের পরে বিয়ে আর করা হলো না বরের ! তার আগেই তার ঠাই  হলো শ্রীঘরে! কিন্তু কেন?

এবি ওয়েব ডেক্স : সারাদিন গায়ে হলুদের পর্বটা খুব ভালোভাবেই উতরে গিয়েছিল পাত্র সায়ন্তন পালের । সন্ধের দিকে তাই প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিয়ে করতে যাওয়ার জন্য। গাড়ি এলো!  কিন্তু বিয়ে করতে আর তার যাওয়া হলো না তার। পাত্রীর বাড়ি পৌঁছানোর আগেই তাকে তুলে নিয়ে গেল বর্ধমান মহিলা থানার পুলিশ। আপাতত তার স্থান এখন শ্রীঘরে।

স্থানীয় সূত্রে  জানা গেছে, বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুরে পাত্র সায়ন্তন পালের বাড়ি। শহরের শাঁখারি পুকুর এলাকার বাসিন্দা এক যুবতীর সাথে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাস করে সায়ন্তন। কিন্তু ওই যুবতী বিয়ের প্রস্তাব দিতেই বেঁকে বসে সায়ন্তন। এদিকে সায়ন্তনের জন্য  কলিগ্রামে বিয়ের ঠিক করে পরিবার। সায়ন্তন বিয়েতে মত দেয়। ঠিক ছিল গতকাল অর্থাৎ ২৫ নভেম্বর বিয়ের তারিখ। ইতিমধ্যেই শাঁখারি পুকুরের ওই যুবতী সায়ন্তনের বিয়ের কথা জানতে পেরে বর্ধমান মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই মহিলা থানার পুলিশ গিয়ে সায়ন্তনকে আটক করে নিয়ে যায়। এদিকে লগ্নের সময় হয়ে যাওয়ায় বর না আসায় তারা পাত্রের বাড়িতে যোগাযোগ করে। পাত্রীর পরিবার জানতে পারে সায়ন্তনকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। এদিকে ততক্ষণে লগ্ন বয়ে যাওয়ায় কনের সাজে পাত্রী ও তার পরিবার বর্ধমান মহিলা থানায় চলে আসে।

এদিকে বর্ধমান মহিলা থানায় পাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেছেন, ২৫ নভেম্বর আর মেয়ের বিয়ের ঠিক হয়েছিল সায়ন্তন পালের সঙ্গে। সেই মতো গায়ে হলুদের পর্ব চুকে যায়। সন্ধে নাগাদ তারা জানতে পারে সায়ন্তনের বিরুদ্ধে কেউ মহিলা থানায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ করেছেন। সেই কারণে পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। তিনি অভিযোগ পত্রে পুলিশকে জানিয়েছেন , বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অন্য  মেয়ের সাথে একাধিকবার সহবাস করেছে সায়ন্তন। কিন্তু তার পরিবারের লোকেরা সেই কথা চেপে গিয়ে বিয়ের সম্বন্ধ করে। বিয়েতে পন বাবদ দশ লক্ষ টাকা দেন তারা। সেই টাকা যাতে পাত্র পক্ষের লোকেরা ফের দিয়ে দেয় সেই আবেদন করেন তিনি। এদিকে আজ সায়ন্তনকে পুলিশ গ্রেফতার করে বর্ধমান জেলা আদালতে পাঠিয়েছে।

Leave a Reply