নিজের জীবন দিয়ে মানুষের জীবন রক্ষা করবো রাজ্য বাসীকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

এবি ওয়েব ডেক্স, পূর্ব মেদিনীপুর 

একটা লুঠেরা পার্টি দেশ শাসন করেছে। কালো দিনের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। আমি নিজের জীবন দিয়ে, মানুষের জীবন রক্ষা করব। আর কেন্দ্রের সরকার সকলকে চোর বানিয়ে নিজেরা সাধু সাজছে। সব থেকে বড় চোর নরেন্দ্র মোদি সরকার ও অমিত সাহা’র বিজেপি দল। দাঙ্গা লাগানো কিংবা টাকা লুঠ করা ছাড়া এদের কোনও কাজ নেই। একটি গুন্ডা আর একটি পাণ্ডা, দুই জনে মিলে দেশটাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে তচনচ করে দিল। নরেন্দ্র মোদির সরকার দেশ থেকে তাড়াতাড়ি বিদায় নিলে দেশ বাঁচবে। তানাহলে দেশ বাঁচবেনা। সারা দেশ অচল হয়ে গিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করা এই বাংলার মানুষ না খেতে পেয়ে ফিরে আসছে। হাটে‑বাজারে, মেলায় কেনা কাটা বন্ধ। ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকরা টাকা পাচ্ছেনা। দিল্লির আন্ডারে থাকা ব্যাংক চলছে। অথচ সমবায়ের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। কৃষক চাষ করবে কিভাবে? পেটে ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কিল মারার গোঁসাই তৈরি হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সব বিজেপি’র দাঙ্গা বাজদের বলছি যত হুমকি দাও, যত এজেন্সি দেখাও আমাকে থামাতে পারবেনা। মানুষ বিপদে পড়লে, মানুষের চোখ থেকে জল ঝরলে প্রতিবাদ আমি করবই। রাজ্য সরকার গুলোকে দুর্বল করার জন্য, রাজ্য সরকারের অফিসারদের টার্গেট করা হচ্ছে। এটা মনে রাখবেন রাজ্য সরকারের অফিসারদের গায়ে হাত পড়লে আপনারা কিন্তু রেহাই পাবেননা। কারণ আইন শুধু আপনার হাতে নেই, রাজ্যের হাতেও রয়েছে। কারোর গায়ে হাত দেওয়ার দরকার নেই। শুধু আমাকে গ্রেপ্তার করলেই আপনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মিটে যাবে। কিন্তু যা ইচ্ছে করতে পারেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন প্রতিবাদ করবেই। আমি বেঁচে থাকতে কত দাঙ্গা, আর কত লুঠ করতে পারেন আমি দেখব। অনেক চক্রান্ত করছেন। এই সব চক্রান্ত আমার দেখা আছে। চ্যালেঞ্জ করছি ক্ষমতা থাকলে সব মানুষকে গ্রেপ্তার করুন। আপনি চুরি করেছেন একবার নয়, হাজার  বার বলব। নোট বাতিলের ঘটনা সব থেকে বড় স্ক্যাম। এর পিছনে কত কোটি কোটি টাকার ডিল হয়েছে আমরা জানতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দল ও সরকারের বিরুদ্ধে আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। হয় মোদি থাকবে, নয় ভারতবর্ষ থাকবে। এদিনের সভায় মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়,শুভেন্দু অধিকারি, সংসদ সদস্য শিশির অধিকারি, দিব্যেন্দু অধিকারি, রাজ্যের চিফ সেক্রেটারি বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, হোম সেক্রেটারি মলয় দে, রাজ্য পুলিশের ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ ছাড়াও বিভিন্ন আধিকারিক ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন।

 

Leave a Reply