উদবোধন করে বিষ্ণুপুর মেলা জমিয়ে দিলেন মুনমুন, রিয়া, রাইমা সেনরা

অরুনাভ নিয়োগী, বিষ্ণুপুর

শুরু হল ২৯তম বিষ্ণুপুর মেলা। চলবে  ২৭ডিসেম্বর পর্যন্ত । আজ প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার শুভ সূচনা করেন বাঁকুড়ার সাংসদ তথা অভিনেত্রী মুনমুন সেন। ছিলেন বাঁকুড়ার জেলা সভাধিপতি অরূপ চক্রবর্ত্তী,বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তুষার কান্তি ভট্টাচার্য্য।উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা,জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু,মুনমুন কন্যা রিয়া ও রাইমা সহ অনেকে।

whatsapp-image-2016-12-23-at-20-32-10

আজ শুভসূচনার দিন সারা জেলার কয়েক হাজারের বেশি শিল্পী রেলিতে পা মেলান। ছৌ-নাচ,টুসু,বাউল,ধামসা-মাদলে ভরে উঠে মন্দিরনগরী। শিল্প,সাহিত্যিকদের সাথে পা মেলান স্কুল,কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা।সারা শহর পরিক্রমা করে মেলা প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয় র‍্যালি।তারপর প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার শুভ সূচনা হয়।আজ থেকেই বিভিন্ন মঞ্চে শুরু হয়ে গেছে স্থানীয় শিল্পীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান।পাশাপাশি এবছরের মেলাতে বিষ্ণুপুরের আসছে একঝঁক শিল্পী।আজ রিয়া-রাইমার সাথে থাকছে অন্বেষা। আগামীকাল ২৪তারিখ আসছে কুমার শানু ও অনুরাধা। ২৫তারিখ বিশিষ্ট লোকশিল্পী সুভাষ চক্রবর্ত্তী।২৬তারিখ থাকছে শান। ২৭তারিখ থাকছে দেব ও পায়েল।এছাড়াও প্রতিদিন চারটি মঞ্চে সবসময়ের জন্য থাকবে নানা ধরনের অনুষ্ঠান।

উদ্বোধনের পর মুনমুন সেন বলেন, “আপনারা এমন জায়গায় আছেন,ভালো না ভেবে থাকবেন না। তবুও আমি প্রার্থনা করি আপনারা ভালো থাকুন।”

মঞ্চে রিয়া ও রাইমা বলেন, “আমরা এই বছর মেলাতে প্রথম আসছি।মেলার অনেক কথা শুনেছি।আশাকরছি আপনারা মেলাতে ভালো আনন্দ করবেন।”

মেলা কমিটির সভাপতি তথা জেলাসভাধিপতি বলেন, “সারা জেলার মধ্যে বড় মেলা বিষ্ণুপুর। মুখ্যমন্ত্রী যখন এসেছিলেন,আমি তখন আমাদের ধামসা মাদল,একতারা নিয়ে যারা গানগায় ,তাদের কথা বলছিলাম।বিষ্ণুপুর মেলা আমাদের গৌরব।”

Leave a Reply