চলুন যাই গরুমারায়,থাকার খরচ পঞ্চাশ শতাংশ কমিয়ে দিল রাজ্য সরকার

অভিরুপ দে,  জলপাইগুড়ি

গরুমারায় বেড়াতে আসা পর্যটকেরা এবার থেকে কম খরচে থাকা ও খাওয়ার সুযোগ পাবেন। সোমবার লাটাগুড়িতে পশ্চিমবঙ্গ আবাসন দপ্তরের তৈরি পান্থনিবাসের উদ্বোধনে এসে একথাই জানালেন জলপাইগুড়ি ডিআরডিসির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর কাজলকান্তি সাহা। লাটাগুড়ি থেকে মালবাজার গামী ৩১নাম্বার জাতীয় সড়কের পাশে পূর্ত দপ্তরের বাংলোর ঠিক পাশে প্রায় দু-কোটি   টাকা ব্যায়ে এই পান্থ নিবাসটি তৈরি হয়েছে। এতদিন গরুমারায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য সরকারি থাকা খাওয়ার তেমন একটা ব্যাবস্থা ছিলনা। পাশাপাশি বেসরকারি রিসোর্টগুলির আকাশ ছোঁয়া দর প্রায়ই অসুবিধায় পড়তে হত পর্যটকদের। তবে এই পান্থ নিবাসটি সেই চাহিদা পূর্ণ করবে বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের। জলপাইগুড়ি ডিআরডিসির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর কাজলকান্তি সাহা জানান এই পান্থ নিবাসে থাকা খাওয়ার ব্যাবস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন বিয়ে বা অনুষ্ঠানে এটিকে ভাড়াও দেওয়া হবে। এখানে থাকার জন্য চারটি অত্যাধুনিক ঘরও রয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনে এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের অত্যাধুনিক ব্যাবস্থাও করা হবে। এই পান্থ নিবাসটি পরিচালনার দ্বায়িত্ব স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। কাজলকান্তি সাহা জানান সরকারি এই আবাসটি যাতে সাধারণেরা ব্যাবহার করতে পারেন সেই জন্য এর দর লাটাগুড়ির অন্যান্য বেসরকারি রিসোর্টগুলির তুলনায় ৫০ শতাংশ কম করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পাকাপাকি ভাবে এর ভাড়া নির্ধারণ করা হবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সাথে আলোচনা করে। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিআরডিসির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ছাড়াও জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদের সভাধিপতি নুরজাহান বেগম, মাল পাঞ্চায়েত সমিতির সভাধিপতি নুরজাহান বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply