গ্রামবাসীদের না জানিয়ে জোর করে নেওয়া জমিতে  ইসিএল খনন কাজ শুরু করায় সেই কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখালো গ্রামবাসীরা

শিবরাম পাল ,জামুড়িয়া

গ্রামবাসীদের না জানিয়ে তাদের জমি দখল করে ইসিএলের খনি  খননের কাজ শুরু করায় কাজ বন্ধ করে দিয়ে ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখালো গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হয়ে যায় ইসিএলের খনন কাজ। এরপরেই তারা কেন্দা ফাঁড়ি ঘেয়াও করে সাত দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দেয় ।

jamuria_-bhibhinno-dabi-niye-keda-police-fari-gerao-gram-rakha-kamitee-3

ইসিএল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল জামুড়িয়ার কেন্দা এরিয়ায় ইসিএলের মেগা প্রজেক্ট খনি খনন করা হবে । সেই জন্য ৩৬০ থেকে ৩৭০ একর জমি প্রয়োজন। সেই খনি খননের জন্য গ্রামবাসীদের জমি অধিগ্রহণ না করে কাজ শুরু করে দেওয়ায় সেই কাজ বন্ধ করে দিয়ে কেন্দা ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখালো গ্রামরক্ষা কমিটির ব্যানারে কেন্দা অঞ্চলের গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ইতিমধ্যেই প্রায় বিভিন্ন জায়গা থেকে আশি একর জায়গা অধিগ্রহণ করে নিয়েছে এর মধ্যে বেশ কিছু অনিচ্ছুক কৃষক রয়েছেন। আবার যারা ইচ্ছাকৃতভাবে জমি দিয়েছেন তাদের শর্তমতো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়। কিন্তু মামলা চলাকালীন রাতের অন্ধকারে ইসিএল কর্তৃপক্ষ মাটি কাটার কাজ শুরু করে দেয়। প্রতিবাদে আজ গ্রামরক্ষা কমিটির ব্যানারে গ্রামবাসীরা চড়াও হয়ে বন্ধ করে দেয় ইসিএলের খনন কাজ। গ্রামবাসীদের দাবি ইতিমধ্যেই কেন্দা গ্রামকে ধস প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। আই আদের পুনর্বাসন ছাড়া ওই এলাকায় খনির কাজ শুরু করলে তাদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। কারণ খনির কাজ শুরু হলে ব্লাস্টিং করা শুরু হবে।ফলে তাদের ঘরবাড়িতে ফাটল ধরতে শুরু করবে। এছাড়া ইসিএলের পরিতক্ত্য খনি এলাকায় যে জলাশয় ছিল সেই জলাশয় বন্ধের কাজ শুরু হওয়ায় সেখানে জলের সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গামবাসী সন্দীপ ব্যানার্জী বলেন শর্তমতো জমি নেওয়ায়র পরে তাদের চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল ইসিএল। সেই চাকরির দাবি সহ জমির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পানীয় জলের ব্যবস্থা, এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, না করে খনি খননের কাজ শুরু করায় প্রায় হাজার দশেক গ্রামবাসী আতংকিত হয়ে পড়েছেন। তাই তারা ইসিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কেন্দা ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইসিএলের তরফে জানানো হয়েছে তারা বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে।

Leave a Reply