রাস্তা খারাপ, উলটে গেল যাত্রী বাহী বাস, বিডিওকে ঘিরে ধরে হেনস্থা

দীপিকা সরকার, দুর্গাপুর

রনডিহা থেকে গুসকরা যাওয়ার পথে  শালডাঙ্গা ডিভিসির ব্রীজের কাছে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস। বাসটিতে প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিল । ঘটনায় বাসের সকল যাত্রীরাই আহত হয়েছেন যার মধ্যে ৪ জন শিশু ছিল। দুর্ঘটনাগ্রস্থ  বাস থেকে ২৫ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে কাঁকসা ও পুরষা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।  এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে   ঘটনাস্থলে যান  গলসী-১ বিডিও তারকনাথ দাস। উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।   চরম হেনস্তা করে বিডিওকে। খবর পেয়ে বুদবুদ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। গলসি-১ নং বিডিও তারকনাথ দাস জানান,” দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গিয়েছিলাম। রাস্তাটি বেহাল থাকায় ক্ষুব্ধ জনতা হেনস্তা করে। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।” দুর্গাপুর মহকুমাশাসক শঙ্খ সাঁতরা জানান,” ঘটনাস্থলে আধিকারিক পাঠিয়েছি। রাস্তাটি দীর্ঘদিন বেহাল। জেলা পুর্ত দফতরকে জানিয়েছে। পুর্ত দফতর বিষয়টি দেখছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রনডিহা- পানাগড় ডিভিস রোডটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। খানাখন্দে ভর্তি। পীচের নামমাত্র নেই। কোথায় আবার এক হাঁটু পর্যন্ত গর্ত। প্রায় ১০ কিলোমিটার ওই রাস্তার মধ্যে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সেচ দফতরে। সাড়ে ৩ কিলোমিটার পানাগড় সেনাছাউনির জমির ওপর। আর কিছুটা রেল কর্তৃপক্ষের। সেনাছাউনির ছাড়পত্র না পাওয়ায় রাস্তাটি সংস্কারে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সংস্কার না হওয়ায় মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে ছ’টি বাস ও চারটি যাত্রীবাহি ট্রেকার যাতায়াত করে। আশপাশের রনডিহা,বনগ্রাম, চাকতেঁতুল, শালডাঙা সহ ১৫ টি গ্রামের একমাত্র ভরসা। কিন্তু দিনের পর দিন রাস্তায় সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।