নার্সিংহোমে রোগী মারা গেলে আটকে রাখা চলবে না কড়া বার্তা জেলাশাসকের

এবি ওয়েব ডেক্স, বর্ধমান

নার্সিং হোমে কোনো রোগী মারা গেলে মরদেহ আটকে রাখা যাবে না। চিকিৎসার বিল দিতে না পারলেও জোর করে সেই বিল আদায় করা যাবে না  ।নার্সিং হোম গুলিকে এই কড়া নির্দেশ দিল বর্ধমান জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সংস্কৃতি লোকমঞ্চে জেলার প্রায় শতাধিক নার্সিং হোমের মালিকের সঙ্গে প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈঠকে বসেন। নার্সিং হোম নিয়ে জেলা তথা রাজ্য জুড়ে একের পর এক ঘটনায় যেভাবে আতংক তৈরি হয়েছে তাঁতে রোগী ও নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসন এই বৈঠকের ডাক দেয়। প্রশাসনের আশ্বাসে সাড়া দিয়ে আসানসোল, দুর্গাপুর, কালনা কাটোয়া ও বর্ধমান থেকে নার্সিং হোম মালিকেরা যেভাবে প্রশাসনিক বৈঠকে জেলা শাসকের চেম্বারে এসে হাজির হয় তাঁতে নার্সিং হোমের মালিকের ভিড় উপচে পড়ে। সেখানে নার্সিং হোম মালিকেরা বর্ধমানের পিজি নার্সিং হোমের ঘটনায় মালিক সহ চার জনকে পুলিশ গ্রেফতার আতংকিত হয়ে পড়েছেন বলে প্রশাসনকে জানান। এক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম নীতি মেনে চললে কোনো সমস্যাই হয় না বলে মত প্রকাশ করেন জেলাশাসক। এইভাবে দীর্ঘ ঘন্টা দেড়েক ধরে প্রশাসন ও নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর বিনিময় চলে। জেলাশাসক পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেন মারা গেলে বডি আটকে রাখা যাবে না। টাকা দিতে না পারলে রোগীর পরিবারের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিতে পারবেন না। এই ব্যবসায় যখন নেমেছেন তখন আপনাদেরই তা বহন করতে হবে। যদিও এক্ষেত্রে এই ধরণের মানুষ এক থেকে দুই শতাংশ হতে পারে। এর বেশি হয় না।  এ ব্যাপারে জেলাশাসকের পরামর্শ গুরুতর রোগীদের ভরতি না করে সরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দিন।জেলাশাসক বলেন রোগীদের সঙ্গে ভালো না করার অভিযোগ আছে নার্সিং হোম গুলির বিরুদ্ধে। প্রতি মাসে তাদের রিপোর্ট আসার কথা। আমরা তা পাই না। তারা রোগীর রেকর্ড রাখছে না। চিকিৎসার ডবল চার্জ নেওয়া হচ্ছে। দালালের মাধ্যমে রোগী ভরতি করার অভিযোগ আছে।