উত্তরণের পথ চলা শুরু , শুরু নিত্যনতুন পরিকল্পনা

এবি নিউজ ডেক্স :

শুরু হল ‘উত্তরণ’-এর পথ চলা। জেলার উচ্চবিদ্যালয় গুলির আরও ভাল রেজাল্ট করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই অভিনব উদ্যোগ। যাঁর চিন্তা প্রসূত এই উদ্যোগ স্বয়ং জেলা শাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব শুক্রবার দত্তক নিলেন বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস হাইস্কুলকে অন্যদিকে বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন সর্বশিক্ষা মিশনের প্রকল্প আধিকারিক শারদ্বতী চৌধুরী। একই সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলার ৬৭ টি স্কুল দত্তক নিলেন ৬৭  জন আধিকারিকও।

বর্ধমান শহরের নবাব হাটে আদর্শ বিদ্যালয়ে দেখা গেল গেটের সামনেই একটা বোর্ড রাখা আছে সেখানে লেখা আছে খবর কাগজ থেকে নেওয়া বেশ কিছু লিড খবরের হেড লাইন। স্কুলে ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেই আপনার টেনস সম্পর্কে একটা ধারনা জন্ম নেবে। সিঁড়িতেই টেনসের বিবর দেওয়া আছে যাতে ছাত্রছাত্রীরা ঘুরতে বেড়াতেই খেলার ছলে একটা ধারনা করতে পারে। শুরু তাই নয় পার্ট অফ স্পিচ, আর্টিক্যাল, প্রিপজিশন সম্বন্ধেও ধারনা দেওয়া আছে সিঁড়িতে সিঁড়িতে। আগামী দিনে যাতে বীজগণিতের সূত্রও ছাত্রছাত্রীদের মুখে মুখে ঘোরে সেই জন্য সূত্র দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে স্কুল।

এদিন জেলা শাসক মিউনিসিপ্যাল গার্লস হাইস্কুলে গিয়ে প্রথামেই এই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী মল্লিকের অফিসে যান। সেখানে গিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলেন। তারপর প্রধান শিক্ষিকাকে নিয়ে গোটা স্কুল চত্ত্বর পরিদর্শন করেন। সঙ্গে অন্যান্য আধিকারিক ও শিক্ষিকারাও ছিলেন। ক্লাসে গিয়ে কথা বললেন ছাত্রীদের সঙ্গেও। পরে জেলা শাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব বললেন, আজ প্রথম দিন এসে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বললাম। স্কুল ঘুরে দেখে মনে হল অন্য সব স্কুলের চেয়ে খুবই ভাল। এখানকার পরিকাঠামো অনেক ভালই আছে।

অন্যদিকে সর্বশিক্ষা মিশনের প্রকল্প আধিকারিক শারদ্বতী চৌধুরী জানান, স্কুলের পরিকাঠামো খুবই ভালো। কি কি সমস্যা আছে তা নিয়ে শিক্ষক দের সাথে আলোচনা করলাম। স্কুলে কিন্তু ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম এই সমস্যা কিভাবে কাটানো যাবে সেই বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।