বিরোধীশূন্য দুর্গাপুর! চারিদিকেই ঘাসফুলের মেলা

দীপিকা সরকার, এবি ওয়েব ডেক্স, দুর্গাপুর

মঞ্চ সাজানোই ছিল। ছিল শুধু অপেক্ষা।প্রশ্ন ছিল একটাই বিরোধী শূন্য পুরসভা গড়তে পারবে কি  শাসক দল ? যদিও  দুর্গাপুর পুরনির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস বার্তা দিয়েছিল এবার তৃণমূলের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর গর্ভনমেন্ট কলেজে সকাল থেকে ইভিএম খুলতেই বাইরে উড়তে থাকে সবুজ আবির। চলে বাজি ফাটানো আর ব্যান্দের তালে কোমর দোলানো। গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য জুড়ে ঘাস ফুলের দাপত দেখা গেলেও দুর্গাপুরের দুটি বিধানসভা আসনে কিন্তু ঘাস ফুল ফোটেনি। ফলে নির্বাচনের আগে সংশয় একটু কিছুটা হলেও ছিল শাসক দলের। কিন্তু রাজ্য স্তরের নেতারা ব্যাপারটা আমল দেননি। মন্ত্রী তথা জেলার পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাস পাখির চোখ করে প্রচার পর্ব সেরেছেন দুর্গাপুরে। যেখানে বিরোধীরা ডাহা ফেল। এছাড়া মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ থেকে  আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি , আসানসোলের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় সবাই এলাকা ভাগ করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন দুর্গাপুরের মাটি পুনরুদ্ধার করতে। তাদের সঙ্গে কিছুটা হলেও পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। কিন্তু সিপিএমকে সেই অর্থে খুঁজে পাওয়া যায়নি। যদিও তারা রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে মহ সেলিম সবাইকেই প্রচারে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু প্রচার সেই অর্থে মন কাড়েনি সাধারণ মানুষের। যদিও বিরোধীরা প্রথম থেকেই ভোট লুঠ করা হবে এই অভিযোগ খাড়া করেছিল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে আজ বিরোধীদের অস্বিত্ব মাটিতে মিশে যাওয়ায় তারা অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে শুরু করেছে। তাই নিজেদের সান্ত্বনা দিতে উলটো পালটা বকতে শুরু করেছে। মানুষ যে মা মাটি মানুষকেই চায় বিরোধীশূন্য করে দেওয়ার চিত্র সেটাই প্রমাণ করে।