জায়গা না থাকায় সেচ ক্যানেলই ভরসা মহিলা পরিচালিত ১১ পল্লি বারোয়ারির

এবি ওয়েব ডেক্স, বর্ধমান : সেই সময় এলাকায় পুজো বলতে ছিল সরকারি ক্যাম্পাসের পুজো। যেখানে পুজোর কর্তৃত্ব ছিল সরকারি ক্যাম্পাসে বসবাসকারী আবাস কর্মীর হাতেই। ফলে আশেপাশের ১১ টি পল্লি এলাকার মানুষদের ছিল মন খারাপ। তাদের পরিবারের ছেলে মেয়েরা সেই অর্থে পুজোতে আনন্দ করতে পারে না। তাই এলাকার ১১ টি পল্লির বাসিন্দারা নিজেদের মধ্যে বসে সিদ্ধান্ত নেয় আলাদা করে পুজো করার।  আর তাই ওই ১১টি পল্লীর
বাসিন্দারা নিজেদের মধ্যে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরাই
আলাদা করে পূজো করবেন।

এই ১১টি পল্লীর মহিলারা যাঁরা ওই সরকারী
ক্যাম্পাসে পুজোর কাজ করতে গিয়ে মন খারাপ নিয়ে ফিরেছেন তাঁদের হাতেই
থাকবে পুজোর ভার। আর সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেকই বর্ধমানের এগ্রিকালচার
ফার্ম লাগোয়া ১১ পল্লী বারোয়ারী দুর্গোত্সব শুরু হয়ে এবার ৬ষ্ঠ বর্ষে
পা দিল। কিন্তু এই পুজো করতে গিয়ে মস্ত বাধা এসে দাঁড়ায় জায়গা। গত ৬
বছরেও নির্দিষ্ট কোনো পুজোর জায়গা না পাওয়ায় এই ৬ বছর ধরেই ডিভিসির
সেচ ক্যানেলের ওপরই চলছে পূজো। রবিবার এই পুজো কমিটির খুঁটি পুজো হল।
পুজো কমিটির সদস্যা কাবেরী দাস জানিয়েছেন,আমাদের মূলত এই ১১ পল্লি এলাকার মানুষের চাদা নিয়েই পুজো করে আসছি।  এবারে পুজোর বাজেট প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। আমাদের যেহেতু নিজস্ব জায়গা নেই তাই পুজোর খরচ বাঁচিয়ে  নিজস্ব পুজোর জায়গার জন্য চেষ্টাও করা হচ্ছে। তাই পুজো উপলক্ষে প্রতিবছরই লটারি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।